মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

সিটিজেন চার্টার

সিটিজেন চার্টার

 

১।চালকল লাইসেন্স ইস্যুঃ

 

চাল সংগ্রহ ও নিয়ন্ত্রন আদেশ ২০০৮ এর বিধান মোতাবেক বাংলাদেশ ভুখন্ডে স্থাপিত অটো, মেজর ও হাস্কিং মিলে লাইসেন্স ইস্যু করা হয়। জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের দপ্তর হতে এই লাইসেন্স ইস্যু করা হয়।  লাইসেন্স ইস্যুর ক্ষেত্রে নিম্মবর্ণিত বিষয়গুলি পরীক্ষা করা হয়।

 

মিলের জমি ও যন্ত্রপাতির মালিকানার স্বপক্ষের  কাগজপত্র,

বিদ্যুৎ সংযোগের কাগজপত্র,

স্থাপিত যন্ত্রপাতি, স্থাপনাদির উৎপাদন ক্ষমতা।

আবেদনকারীর নাগরিকত্ব বা অন্যান্য বিষয়ে তথ্যাদি

পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র।

 

উপরোক্ত তথ্যাদি সঠিক পাওয়া গেলে নিম্মেবর্ণিত ফি ট্রেজারী চালানের মাধ্যমে স্বল্পতম সময়ের মধ্যে জমা নিয়ে লাইন্সেন্স ইস্যু করা হয়।

 

অটোমেটিক রাইস মিল- ২০০০.০০

মেজর রাইস মিল- ২০০০.০০

হাস্কিং রাইস মিল-১০০০.০০

প্রতি বৎসর জুন মাসে লাইসেন্স ফি’র ৫০% জমা নিয়ে নবায়ন করা হয়।

 

২। অভ্যমত্মরীণ খাদ্যশস্য সংগ্রহ।

 

খাদ্য ও দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রনালয়ের ২১/০৪/২০০৫ খ্রিঃ তারিখের খাদুব্যম/অভ্যঃ সংগ্রহ নীতিমালা-১ /২০০৫-৮৯ নং স্মারকে জারীকৃত অভ্যন্তরীণ খাদ্যশষ্য সংগ্রহ নীতিমালা অনুসারে ধান/চাল/গম সংগ্রহ করা হয়।

 

সংগ্রহ মৌসুম শুরুর পূর্বে সংগ্রহ মূল্য ও লক্ষ্যমাত্রা সম্পর্কে নির্দেশনা দেয়া হয়।

কৃষকদের নিকট থেকে সরাসরি ধান/চাল ক্রয় করা হয়।

লাইসেন্সধারী  মিলারদের নিকট থেকে চাল সংগ্রহ করা হয়।

সংগ্রহ শুরুরপুর্বে নির্বাচিত গণপ্রতিনিধি, মিলার প্রতিনিধি ও সরকারী কর্মকর্তার সমন্বয়ে সভা  করে   সিদ্ধান্তগ্রহণ করা হয়।

 

জেলা সংগ্রহ কমিটির সভার সিদ্ধান্ত অনুসারে সংগ্রহ নীতিমালার আলোকে খাদ্যশষ্য সংগ্রহ করা হয়।

খাদ্য গুদামে কৃষকগণ ধান/গম নিয়ে আসলে আর্দ্রতা ও পরিস্কার পরিচ্ছনতা গ্রহণযোগ্য সীমার মধ্যে   থাকলে গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সংগ্রহ করেন।

মিলারদের পাক্ষিক মিলিং ক্ষমতার আনুপাতিকহারে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক চালের বরাদ্দ দেন। বরাদ্দ    অনুসারে গুদামে সংগ্রহ করা হয়।

সংগৃহীত পন্যের মূল্য ওজন মান ও মজুদ সনদের মাধ্যমে পরিশোধ করা হয় (নগদে নয়)।

 

 

৩। ও এমএস ডিলার নিয়োগ ও খাদ্য শষ্য বিতরণ।

 

খাদ্যশষ্যের উর্দ্ধমুখী বাজার  দর রোধকল্পে সময়ে সময়ে সরকারী নির্দেশ অনুসারে ভুর্তুকি মূল্যে   ওএম এস খাদ্যশষ্য বিলি করা হয়। 

বিজ্ঞপ্তি জারী করে প্রাপ্ত আবেদনকারীদের সরকার গঠিত কমিটি কর্তৃক ডিলার হিসেবে নির্বাচন ও     নিয়োগ করা হয়।

নিয়োগকৃত ডিলারগণের মাধ্যমে নির্ধারিত মূল্যে খাদ্যশষ্য বিলি করা হয়।

বিলির সময়ে প্রচার, লাল সালু কাপড়ে ব্যানার ও তদারকী কর্মকর্তার মাধ্যমে সুষ্টু বিক্রি  নিশ্চিত করা    হয়।

যে কোন ব্যক্তি নির্ধারিত মূল্যে উক্ত ডিলারের নিকট থেকে চাল ক্রয় করতে পারেন।

 

৪। অভ্যন্তরীন  সড়ক /নৌ ও শ্রমিক ঠিকাদার নিয়োগ

 

পাবলিক প্রকিউরমেন্ট রেগুলেশন ২০০৬ এবং পাবলিক প্রকিউরমেন্ট আইন ২০০৮ অনুসারে স্ব স্ব কাজে অভিজ্ঞ ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে অভ্যন্তরীণ সড়ক/নৌ শ্রমিক ঠিকাদার নিয়োগ করা হয়।

 

নিয়োগের পূর্বে স্থানীয় ও জাতীয় পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি জারী করা হয়।

সরকার গঠিত কমিটি দরপত্রে গ্রহণ প্রক্রিয়া পরীক্ষা নিরীক্ষা করে যোগ্যতার ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠানকে   নিয়োগের  সুপারিশ করেন। 

সুপারিশকৃত দরপত্র দাতার সকল কাগজপত্র, দরপত্র গ্রহণ প্রক্রিয়া ইত্যাদি পরীক্ষা নিরীক্ষা করে  উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষ নিয়োগের  অনুমোদন দেন।

প্রয়োজনীয় জামানত গ্রহণ করে চুক্তিপত্র সম্পাদন করা হয়।

ঠিকাদারের বিল ট্রেজারীর মাধ্যমে পরিশোধ করা হয়।

 

৫। বিশেষ জরুরীগ্রাহক খাতে খাদ্যশষ্য সরবরাহ।

 

সেনাবাহিনীকে চাহিদার ভিত্তিতে ধারে খাদ্যশষ্য সরবরাহ করা হয়।

বি ডিআর/পুলিশ/আনসার/জেল পুলিশ /কয়েদীদেরকে সরকার নির্ধারিত মূলে চালানের মাধ্যমে  জমা    নিয়ে খাদ্যশষ্য সরবরাহ করা হয়।

 

৬। গ্রামীন অবকাঠামো রক্ষনাবেক্ষন/ সংস্কার /ত্রান খাতে  খাদ্য শষ্য সরবরাহ

 

          গ্রামীন অবকাঠামো রক্ষনাবেক্ষন ও সংস্কার খাতে খাদ্যশস্য সরবরাহ করা হয়।

          দূর্যোগ পরবর্তী সময়ে ক্ষতিগ্রস্থ জনসাধারণের মধ্যে খাদ্য সরবরাহ নিশ্চিত করা হয়।

          বাঁধ নির্মাণ/রাস্তাাঘাটসংস্কারের জন্য খাদ্য সহায়তা প্রকল্পে খাদ্য সরবরাহ দেয়া হয়।

          স্কুল শিক্ষার্থীদের পুষ্টি সাধনের জন্য স্কুল ফিডিং খাতে খাদ্যশস্য সরবরাহ করা হয়।

          ভিজিডি/ভিজিএফ খাতের খাদ্যশস্য সরবরাহ করা হয়।


Share with :

Facebook Twitter